বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

Lemon Pepper Chicken

রোজকার চিকেন কষা ও ঝোল বানাতে বানাতে ক্লান্ত? মুখের স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন লেমন পেপার চিকেন

পুস্পিতা বড়াল, ১৭ মে : আমরা প্রায়ই চিকেন কষা বা ঝোল বানিয়ে থাকি। কিন্তু রোজ এক ঘেঁয়ে খাবার খেতে ও বানাতেও ইচ্ছে করে না। তবে তেল মশলা ছাড়া বানিয়ে ফেলুন লেমন পেপার চিকেন। চলুন জেনে নিই এটি বানাতে কি কি লাগছে ও কীভাবে বানাবেন। পুরুষত্ব বাড়াতে এক টুকরো সুপারি! খাবারে পরিবেশন করুন গরম গরম লেমন পেপার চিকেন উপকরণ মুরগির মাংস আধা কেজি, টক দই এক কাপ, আদা বাটা, রসুন বাটা, ধনে পাতা কুচি, পাতিলেবুর রস, গোলমরিচ গুঁড়ো, পেপরিকা পাউডার, মিক্সড হার্বস, এক চামচ মাখন ও পরিমাণ মতো নুন। প্রক্রিয়া প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তাতে টক দই, লবণ, পেপরিকা পাউডার, গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস দিতে হবে। এরপর এটিকে আধা ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর কড়াইতে মাখন গরম করে একে একে আদা বাটা ও রসুন বাটা ভেজে নিয়ে তাতে ফ্রিজে রাখা মাংসটি দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হয়ে গেলে তাতে গোলমরিচ গুঁড়ো, পেপরিকা পাউডার আর মিক্সড হার্বস দিয়ে মিশিয়ে কিছুক্ষন ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে ধনে পাতা কুচি দিয়ে আরো কিছুক্ষন ঢেকে রাখতে হবে। এরপর নামিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম লেমন পেপার চিকেন।

আরো পড়ুন »
Supari For Health Benefits

পুরুষত্ব বাড়াতে এক টুকরো সুপারি!

শর্মিলা চন্দ্র, ১৭ মে : পান খাওয়ার একটি অন্যতম উপাদান হল সুপারি। বাজারে ছোট, বড় দুই আকারেই এই ফল পাওয়া যায়। একটা সময় ঠাকুমা-দিদিমাদের কাছে পানের বাটা যেমন থাকত তেমন তাতে কুচো সুপারি, বড় সুপারির দেখা মিলত। কিন্তু কালের নিয়মে বাড়িতে পানের বাটার অবলুপ্তি ঘটেছে। তাই বাড়িতে এখন সেইভাবে সুপারির দেখা মেলে না। তবে আপনি কি জানেন এই সুপারি শুধু পান খাওয়ার শুধুমাত্র একটি উপাদান নয়, স্বাস্থ্যের উপকারিতায় এই সুপারির গুণ কিন্তু অপরিহার্য। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সুপারি কীভাবে কার্যকরি- ব্যাঙ্কে চাকরির বিরাট সুযোগ! ৩ মাস বিনামূল্যে কোর্স করলেই বাজিমাত, হাতছাড়া করবেন না এই সুযোগ মন ভালো রাখতে সুপারির জুড়ি মেলা ভার ১) সুপারি খেলে আমাদের দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সুপারি খাওয়ার ফলে ক্যাভিটির সমস্যাও দূর হয়। ২) সুপারিতে ফাইটোকেমিক্যালস জাতীয় এক ধরনের উপাদান রয়েছে। সেই কারণে সুপারি খেলে বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। ৩) পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সুপারির জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া মন ভালো রাখতে সুপারি বেশ কার্যকরী। ৪) আমাদের শরীরে অনেক সময় কৃমি ও জীবাণু থাকে। ফলে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। কৃমি ও জীবাণুগুলিকে মারতে সুপারি যথেষ্ট সহায়ক। ৫) অনেকের মোশন সিকনেসের সমস্যা থাকে। যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা নিমপাতা মেশানো জলে সুপারি খেলে উপকার পাবেন। ৬) অনেকের বুকে সর্দি জমে থাকে। সুপারি খেলে খুব সহজে জমে থাকা সর্দির হাত থেকে মুক্তি মিলবে। ৭) ডায়েরিয়া বা নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকলে সুপারি খেলে উপকার মিলবে। সুতরাং এই সুপারি এখন আর পানের সহযোগে না খেয়ে স্বাস্থ্যের উপকারিতার জন্যও খেতে পারেন। অনেক সমস্যা থেকেই মিলবে মুক্তি।

আরো পড়ুন »
skin-oil-remove

গরমের দিনে মুখের অতিরিক্ত তেল দূর করতে কী করবেন?

ব্যুরো নিউজ, ৩০ এপ্রিল, শর্মিলা চন্দ্র: পাল্লা দিয়ে যেমন বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ তেমনই বাড়ছে ত্বকের সমস্যা। বশেষ করে যাদের তৈলাক্ত ত্বক, তাদের সমস্যা দ্বিগুণ। তীব্র গরমে ত্বকে তেলের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়, ফলে ত্বকে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। তার মধ্যে কাজের প্রয়োজনে যাদের প্রতিদিন বাইরে বেড়তে হয় তাদের তো আর রক্ষে নেই। তীব্র গরমে মুখে ময়েশ্চারাইজারও যেমন বেশিক্ষণ থাকে না, তেমন মেকআপ করলেও দ্রুত গলে জল হয়ে যায়। সেই কারণেই এই গরমে ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ নজর রাখা প্র‍য়োজন। কয়েকটি টিপস ফলো করলেই এই গরমে ত্বকের সমস্যা থেকে মিলবে মুক্তি। ত্বকের যত্নে বাড়তি নজর ১) মাড প্যাক এই গরমে মুখের অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব দূর করতে মাড প্যাকের জুড়ি মেলা ভার। এই প্যাক যেমন ত্বকের অতিরিক্ত তেল ভাব আটকায়, তেমনই ব্রণ এবং ত্বকের নানা রকম সমস্যার সমাধান করে। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির, বিভিন্ন রকম প্যাক পাওয়া যায়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী এই মাড প্যাক কিনে নিতে হবে। কীভাবে ব্যবহার করবেন- প্রথমে ত্বক ভালো করে নিন। এরপর মাড প্যাক লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। শুকনো অব্দি অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম জলে ধুয়ে নিন। ২) ঘন ঘন ফেসওয়াশ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন- গরমের দিনে অনেকে ত্বক পরিষ্কার রাখতে ঘন ঘন মুখে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন। কিন্তু অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। সেই জন্য দিনে অন্তত দুবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। ৩) জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন- গরমের সময় অতিরিক্ত ঘাম হয়, সেজন্য বারবার মুখ ধুতে হয়। সেক্ষেত্রে শুধু জল দিয়েই মুখ ধোয়া বাঞ্ছনীয়। অথবা ওয়েট টিস্যু দিয়ে ওয়েট টিস্যু দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ৪) টোনার ব্যবহার করতে পারেন- মুখের অতিরিক্ত তেল কমাতে টোনার বেশ কার্যকরী। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর মহেশচারাইজার লাগানোর আগে টোনার দিয়ে নিন। ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্সও নিয়ন্ত্রণে রাখে এই টোনার

আরো পড়ুন »
ঝিঙে

গরম গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন ঝিঙে নারকোলের যুগলবন্দি, খেতে যেনো অমৃত

ব্যুরো নিউজ, ৩০ এপ্রিল: গরমকালের অন্যতম সবজি হল ঝিঙে। অনেকটা পরিমাণে জল থাকে ঝিঙের মধ্যে। যে কারণে ঝিঙে পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। যে দিন নিরামিষ কোনও রান্না হয় বাড়িতে সেই দিনই ঝিঙে বানিয়ে নেওয়া হয়। ঝিঙে পোস্ত, দুধ ঝিঙে, সবজির তরকারি এসব তো বানানো হয়েই থাকে। এবার বানিয়ে ফেলুন ঝিঙে নারকোলের যুগলবন্দি। খেতে হবে দারুণ সুস্বাদু। চলুন দেখে নেওয়া যাক রেসিপি। কীভাবে বানাবেন ঝিঙে নারকোলের যুগলবন্দি ? উপকরণ- কচি ঝিঙে 500 গ্রাম সরিষার তেল – 2 টেবিল চামচ কালো জিরে – 1/4 চামচ লবণ এবং হলুদ গুঁড়া পোস্ত পেস্ট – 2 টেবিল চামচ কাঁচা লঙ্কা পেস্ট – 1 চা চামচ চিনি – 1 চামচ তাজা গ্রেট করা নারকেল-৩ টেবিল চামচ কাঁচা সরিষার তেল চেরা কাঁচালঙ্কা প্রনালী: প্রথমে কচি ঝিঙে খোসা ছাড়িয়ে একটু বড় লম্বা করে কাটতে হবে এক আঙুল সমান। কড়াতে একটু বেশিই মানে ২চামচ সর্ষের তেল, ১\৪চামচ কালোজিরা ফোড়ন দিয়ে ঝিঙে ছাড়তে হবে। এরপর নুন আর অল্প হলুদ দিয়ে রান্না হবে মিনিট সাতেক মত। ঝিঙে নরম হয়ে এলে ১চামচ চিনি অবশ্যই দিতে হবে। জলটা খানিকটা টেনে নিলে তারপর ২ বড় চামচ পোস্ত বাটা, কাঁচা লঙকা বাটা ১চামচ দিয়ে হালকা হাতে নাড়তে হবে ৫ মিনিট মত। তারপর একদম তাজা ৩-৪ বড় চামচ মত কচি নারকোল কোরা দিয়ে নাড়ুন মিনিট পাঁচেক। তেল ছাড়লে ওপর থেকে একটু কাচা সর্ষের তেল আর চেরা কাঁচালঙকা ছড়িয়ে দিয়ে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন ঝিঙে নারকোলের যুগলবন্দি। গরম গরম খেতে দারুন লাগবে

আরো পড়ুন »
Cooling Musk_For Skin

গরমে ত্বক ভালো রাখতে বাড়িতে বসেই করুন আইস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট

শর্মিলা চন্দ্র, ২৭ এপ্রিল: আপনি কি জানেন আপনি যদি বরফ দিয়ে ফেসিয়াল করেন তাহলে আপনার মুখের ত্বক অনেক বেশি সুন্দর এবং টান টান থাকবে। বাড়িতেই আপনি করতে পারবেন আইস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট। যারা বেশি বয়সেও নিজেদেরকে অল্পবয়সিদের মতন ত্বক ধরে রাখতে চান তারা আইস ফেসিয়াল করতে পারেন। অত্যাধিক গরমে নাজেহাল সকলে। এই সময় অন্তত দিনে দু-তিনবার বাড়িতে আইস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট আপনাকে অনেকটা রিফ্রেশ রাখবে এবং গরমের দিনে ত্বকের নানা রকম সমস্যার সাহায্য করবে। বাংলাদেশী স্টাইলে ‘চিকেন ভর্তা’ খেয়েছেন আগে? এক থালা ভাত খেতে বাধ্য আপনি ত্বক ভালো রাখতে এই ট্রিটমেন্টের জুড়ি মেলা ভার কোরিয়ান মহিলারা এই আইস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট নেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে ক্যাটরিনা কাইফ থেকে আলিয়া ভাট সকলেই এই আইস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট নিচ্ছেন। সেই ভিডিও ভাইরালও হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে বরফের মধ্যে অ্যান্টিফ্লেমেটারি গুণ রয়েছে। যা ত্বকের প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে, তেমনই ত্বকের নানা রকম সমস্যাও দূর করে। গরমের দিনে অনেকের মুখে ব্রণ হওয়ার সমস্যা থাকে। তবে এই সময় আইস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট করলে ব্রণর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এটি ত্বকে উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। ত্বককে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন এবং ভিটামিন সরবরাহ করে। ফলে ত্বকের তারুণ্যভাব বজায় থাকে। ত্বকের লাল ভাব কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের জ্বালাপোড়াও কমায়। ত্বকের লোমকূপ সংকোচন করে রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। এটি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমায়। ত্বকের সিবাম কম উৎপাদন হলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রণর প্রবণতা কমে যায়। ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক রাখে। ত্বকের ছিদ্রগুলিও কমায়। ফলে ত্বকে বলিরেখা বা বয়সে ছাপ দেখা যায় না। কোথাও যাওয়ার আগে যখন আপনি মুখে প্রসাধনি ব্যবহার করবেন তার আগে মুখে বরফ ঘষলে প্রসাধনের শোষণ ক্ষমতা বজায় থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে মুখে মেকআপ করার আগে যদি কিছুক্ষণ বরফ জলে মুখ ডুবিয়ে রাখা যায় অথবা মুখে বরফ ঘষা যায় তাহলে তা আপনার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। অনেক সময় নানা কারণে আমাদের চোখ খুলে যায়। বরফের মধ্যে চোখ খোলা কমানোরও গুণ রয়েছে। চোখের চারপাশে বরফ লাগালে আপনার চোখে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। এটি চোখের ডার্ক সার্কেল দূর করতেও সাহায্য করে। শসা ও অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে বরফ তৈরি করে চোখের চারপাশে লাগান। এর সঙ্গে অলিভ অয়েলও দিতে পারেন। তিনটি মিশ্রণ দিয়ে বরফ তৈরি করে চোখের চারপাশের কালোভাব দূর হবে। কীভাবে করবেন আইস ওয়াটার ফেসিয়াল- প্রথমে একটা বড় পাত্রের মধ্যে কিছুটা ঠান্ডা জল ও কয়েক কুচি বরফ নিয়ে নিতে হবে। এই পর মুখ ডুবিয়ে দিয়ে ৩০ সেকেন্ড রাখুন। তারপর পাতলা সুতির কোন কাপড় দিয়ে মুখটা ভালো করে মুছে নিন। দিনে দু থেকে তিনবার এই ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। তবে যাদের বরফে মুখ দিয়ে রাখতে সমস্যা হবে তারা একটি নরম সুতির কাপড়ে তিন টুকরো মতো বরফ অলতো করে মুখে ঘষুন। তবে মনে রাখবেন কোন কিছুই কিন্তু অতিরিক্ত ভালো না। বেশিক্ষণ বরফ জলে মুখ ডুবিয়ে রাখলে ঠান্ডা লাগার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরো পড়ুন »
moringa is a miracel medicine

এক দাওয়াইয়ে অনেক কামাল

 রত্না দাস, ৪ ফেব্রুয়ারি: নিজেকে বয়স্ক লাগছে? মুখে প্রচুর রিংকেলস পড়েছে? ত্বক দেখলে মনে হচ্ছে যে অনেকটাই বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন? ঘাবড়াবেন না। সমাধান আছে এই গাছের পাতাতেই। পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন কারনে পড়তে পারে বার্ধক্যের ছাপ। বিশেষ করে কাজের চাপ থাকার ফলে শরীরের দিকে যত্নও নেওয়া হয় না সেভাবে। তার ফলে ত্বক রুক্ষ শুষ্ক হয়ে ওঠে। তার সাথে আছে টেনশন, মানষিক চাপ, অবসাদ। অল্প বয়সেই বার্ধক্যের ছাপ পড়তে শুরু করে মুখের ত্বকে। এই সব সমস্যা যেমন আছে পাশাপাশি আছে চুল পড়ার সমস্যাও। ত্বক ও চুল পড়া থেকে মুক্তি পেতে সেবন করুন এই গাছের পাতা। আপনার ত্বকের যাবতীয় সমস্যা এবং চুল পড়া একেবারে জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। তার সঙ্গে বার্ধক্য আসবে অনেক ধীরগতিতে। ফলে আপনি থাকবেন চির যৌবনেই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কেওয়াইসি আপডেট করানোর নামে পাতা হচ্ছে ফাঁদ! প্রতিদিন এই পাতা সেবন করলে আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও ফর্সা হয়ে উঠবে। এটিতে প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট, প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন- এ, ভিটামিন- সি, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন- ডি আছে। যার ফলে শরীরও থাকবে সুস্থ ও ত্বকও থাকবে টানটান। এটির নাম হলো মরিঙ্গা(Moringa)। এর উৎস: সজনে গাছের পাতা। অর্থাৎ মরিঙ্গা পাউডার বা সজনে গাছের পাতার গুড়ো প্রতিদিন সেবন করলে অবশ্যই পাবেন উপকার। মরিঙ্গা পাউডার এক থেকে দু’চামচ নিয়ে এক কাপ গরম জলে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালবেলা খালি পেটে সেবন করুন। এই মরিঙ্গা শুধু যে ত্বক এবং চুলের পুষ্টি বৃদ্ধি করে তা নয়। পাশাপাশি আপনার ওজনও কমাতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা রয়েছে। নিয়মিত সজনে গাছের পাতার গুড়ো সেবন করলে আপনি ক্যান্সার থেকে নিজেকে অনেক দূরে রাখতে পারবেন। তার সাথে ডায়াবেটিসও আপনাকে ছুঁতে পারবে না। এটি আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে হার্ট অ্যাটাক থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। কিডনিতে পাথর জমতে দেবে না। সাথে হাই ব্লাড প্রেসারকে নরমাল রাখতে সাহায্য করবে মরিঙ্গা। পাশাপাশি এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ থাকায় হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। সুতরাং দৈনন্দিন জীবনে মরিঙ্গাকে বন্ধু করে নিলে আপনি অনেক দুরারোগ্য-ব্যাধি থেকে মুক্তি পাবেন। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
The perfection of the melody to relieve the boredom of depression

অবলাদের অবসাদ থেকে মুক্তিতে সুরের কামাল

ব্যুরো নিউজ, ২ ফেব্রুয়ারি: মানসিক অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সুরের কোনও তুলোনা নেই। চোখ বন্ধ করে হাল্কা সুর ভারাক্রান্ত মনকেও শান্ত করে দেয়। দুশ্চিন্তা, আতঙ্ক-অবসাদ থেকে বেড়িয়ে আসতে ভরসা সেই গানেই। পছন্দের গান কিংবা পছন্দের শিল্পীর গান, কোনও খুব প্রিয় সূর-এসবই আমাদের মন ভালো করার অব্যর্থ ওষুধ। তবে এ ওষুধ কিন্তু শুধু মানুষের জন্যই প্রযোজ্য নয়, অবসাদ-আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পশুদের ক্ষেত্রেও মিউজিক থেরাপির জুরি মেলা ভার। শুধু মানুষ নয়, এবার মিউজিক থেরাপি পশুদেরও অনেক সময়েই সুরের জাদুতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীও ফিরে আসেন স্বাভাবিক জীবনে। এবার আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত সেই মিউজিক থেরাপি বদলে দিতে পারে পোষ্য ও যে কোনও প্রাণীর আচরণও। প্রথম দিনেই মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস!    সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের ঘোড়সওয়ার বাহিনীর ঘোড়া গুলির মানসিক অস্থিরতা কাটাতে চিকিৎসকরা ভরসা রাখে এই মিউজ়িক থেরাপির উপর। আর তাতেই কামাল! মাত্র দশ-বারো দিনের মধ্যেই অবিশ্বাস্য রেজাল্ট। যা দেখে পশুপ্রেমি থেকে চিকিৎসক সকলেই স্তম্ভিত। এ বিষয়ে কলকাতা পুলিশের পশু চিকিৎসক সুরজিৎ বসু  জানিয়েছেন, ‘ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিকের সুর ঘোড়ার মানসিক স্থিরতার উপর ভীষণভাবে কার্যকরী, আর এর আগে তা বিদেশে কয়েকটি গবেষণার মাধ্যমেও প্রমাণিত। হালকা সুর ঘোড়ার স্নায়ুতন্ত্রের উপরে প্রভাব ফেলে। আর তাতে উত্তেজনা কমে। পাশাপাশি কোনও ধরনের আতঙ্কও কাটিয়ে ওঠা  সম্ভব।’ মানুষ হোক বা গৃহপালিত পশু কিংবা স্তন্যপায়ী প্রাণী, এই ধরনের প্রানীর মূল স্নায়ুতন্ত্র একই রকম হওয়ায় সঙ্গীতের হালকা সুর উভয়ের ক্ষেত্রেই কার্যকরী বলে জানাচ্ছে আইআইএসইআর। বিদেশে উদ্বেগ, অবসাদে বা আতঙ্কে থাকা পোষ্যদের উপরে মিউজিক থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পোষ্য কুকুরা প্রচণ্ড চিৎকার করছে। আক্রমনাত্বক হয়ে উঠছে। কিংবা সঙ্গীহীন হওয়ায় একাকীত্বে ভুগছে, সেক্ষেত্রে পশু চিকিৎসকরা মিউজিক থেরাপি সুপারিশ করে থাকেন। ইডেনে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আতশবাজি প্রদর্শনে ১ টি ঘোড়ার মৃত্যু হয়। জখম হয় বেশ কয়েকটি ঘোড়া। এর পরেই কার্যত বেশ কয়েকটি ঘোড়া আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তাঁদের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে চিকিৎসকরা শেষে সুরেরই শরণাপন্ন হন, আতঙ্কিত ঘোড়াগুলিকে শোনানো হয় জার্মান সঙ্গীতের সুর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রসঙ্গীতও। আর তাতেই ধীরে ধীরে সেই আতঙ্ক কাটিয়ে উঠে স্বাভাবিক জিবনে ফেরে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
উদ্বেগ

বাড়ছে উদ্বেগ! করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার পার

ব্যুরো নিউজ, ১৪ জানুয়ারি: বাড়ছে উদ্বেগ! করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার পার ঠাণ্ডার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা। দেশে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার পার। মুকেশ কুমারের প্রসংশায় মদনলাল ও প্রভাকর গোটা দেশে ফের কোভিড আক্রান্তের বাড়বাড়ন্ত। দেশে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করেছে হাজার। বাংলায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন। করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়ান্ট JN.1 । আর তাতেই বাড়ছে উদ্বেগ। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় করোনা আক্রান্তদের রক্তের নমুনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োমেডিক্যাল জেনেমিক্সে পাঠানো হয়েছে। সেখানে একসঙ্গে ৮ জনের দেহে করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্ট JN.1-এর হদিশ মিলেছে। অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডেও করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্টের হদিশ মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্ট নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কেবল সতর্কতা বলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্ট JN.1 খুবই ছোঁয়াচে। বাড়িতে একজন নয়া ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হলে অন্যদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই প্রবল। তাই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সতর্কতা: করোনায় আক্রান্ত হলে বা করোনার উপসর্গ দেখা দিলে আগের মতোই বাড়ি থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভিড় স্থানে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। সাথে ঘন-ঘন হাত ধোওয়া, হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢাকা, এমনকি বাইরে থেকে আনা খাবারের বাক্স জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। উপসর্গ: করোনার নয়া ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হলে উপসর্গ একই। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, JN.1-এ আক্রান্ত হলে জ্বর, বমি ভাব, ডায়ারিয়া, গলা ব্যথা থাকছে। এছাড়া অনেকের ঘ্রাণক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং শ্বাসকষ্টও দেখা যাচ্ছে। তাই প্রবীণদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

আরো পড়ুন »
কোলেস্টেরল

কোলেস্টেরল? হার্টের সমস্যা? চিন্তা নেই সমাধান কফিতেই

ব্যুরো নিউজ, ৭ জানুয়ারি: কোলেস্টেরল? হার্টের সমস্যা? চিন্তা নেই সমাধান কফিতেই চা- কফির চাহিদা বারো মাসই। তবে শীতে গা-গরম রাখতে গরম কফিতে চুমুক দিতে কে না চায়! প্রতারণার শিকার ধোনি |  ১৫ কোটি টাকার প্রতারণা শীতের সকাল হোক বা সন্ধ্যা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা হোক বা একান্তে সময় কাটানো সবেতেই কফি অপরিহার্য। সাধারণত বাড়িতে দুধ দিয়ে কফি বা ব্ল্যাক কফিই খাওয়া হয়। অনেকের কাছেই হয়তো অজানা যে আরও এক ধরেনর কফি বানানো যায়। তা হল গ্রিন কফি। এই বিশেষ কফি স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণই ভালো। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যা শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিনকে বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আরও বহু গুণাগুণ আছে এই কফির। গ্রিন কফিতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করে। তাছাড়াও মানসিক চাপ কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে গ্রিন কফি। তাই কাজের চাপ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে গ্রিন কফি খেতে পারেন, উপকার পাবেন। মেদ ঝরায় – ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে আজকাল অনেক মানুষের দেহেই দেখা যায় স্থূলতা। ফলে অতিরিক্ত ওজন ঝরাতে গ্রিন কফি খেতে পারেন। সুগারের রোগীরাও এই কফি খেতে পারেন। এতে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ভেতর থেকে সুস্থ ও সতেজ থাকতে সাহায্য করে। নিয়মিত গ্রিন কফি পান করলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর ফলে টাইপ ২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকিও অনেকটা কমে যায়। তবে চিনি যোগ করবেন না। গ্রিন কফি খেলে শক্তিও মেলে। এই কফি খেলে পাবেন ভরপুর শক্তি। শরীরে কোনোও ক্লান্তিভাব থাকবে না। তাই জিম করার আগেও খেতে পারেন গ্রিন কফি। এ ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে এই বিশেষ কফি। যাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি তাঁরা এই কফি খেতে পারেন। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা শীতকালে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। পুষ্টিবিদরা এই কারণে রোজকার খাদ্যতালিকায় গ্রিন কফি রাখতে বলেন। এতে রক্তচাপ সহজে বাড়ে না। এমনকী হৃদযন্ত্র ও কিডনিও সুরক্ষিত থাকে। ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে গ্রিন কফি। শীতকালে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বকরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে এই কফি খেতে পারেন। এছাড়াও এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় ক্ষতিকারক টক্সিনকে বের করে দেয়। যার ফলে ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখে গ্রিন কফি। এছাড়াও গ্রিন কফিতে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড, রয়েছে লিনোলিক অ্যাসিড ও ওলিক অ্যাসিড। যা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
আনন্দের

আনন্দের মাঝে ভয়! বাড়ছে সংক্রমণ

ব্যুরো নিউজ, ৩১ ডিসেম্বর: আনন্দের মাঝে ভয়! বাড়ছে সংক্রমণ বর্ষবরণের আনন্দের মাঝেও ভয় বাড়াচ্ছে করোনা! গত ২২৭ দিনের মধ্যে দেশে সর্বাধিক দৈনিক সংক্রমণ। ৮০০-র গণ্ডি পার করল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। জতুগৃহ! পুড়ে ছাই ৬!  বছরের শেষ দিনের কোভিড বুলেটিন রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে চিকিৎসকদের কপালে। ৩১ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে দেশে নতুন করে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪১ জন। যা সাম্প্রতিককালের মধ্যে সর্বাধিক। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর খবরও মিলেছে। সব মিলিয়ে কোভিড গ্রাফ নতুন বছরে পা ফেলার আগে চিন্তা বাড়াচ্ছে চিন্তা। গত ২৪ ঘণ্টায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়েছে। এই মুহূর্তে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৩০৯ জন। কেরালা, কর্নাটক এবং বিহার থেকে একজন করে কোভিড আক্রান্তের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রিপোর্ট বলছে, গত ৫ ডিসেম্বরের পর থেকে দেশের কোভিড গ্রাফে হাই জাম্প দেখা গিয়েছে। যা ক্রমশ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বর্ষবরণ এবং নিউ ইয়ারের আনন্দই করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর কারণ হয়ে দাঁড়াবে না তো? এ নিয়েও চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা। তবে বর্ষবরণে পর্যটন স্পটগুলি, বার, পাব, বিনোদন পার্কে জনতার ভিড় উপচে পড়ার সম্ভাবনা। বিশেষত ভিড়ের জেরেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। একাধিক জনবহুল এলাকাগুলি করোনার হটস্পট হয়ে  ওঠারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্বেগের নতুন নাম করোনার JN.1 প্রজাতি। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ১৪৫টি JN1 কেস মিলেছে। শনিবার নতুন করে মহারাষ্ট্রে আরও একজনের শরীরে এই নয়া প্রজাতির ভাইরাস মিলেছে। মহারাষ্ট্রে এই মুহূর্তে JN.1 আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০।  ইভিএম নিউজ 

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা