বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

incredible-discovery-to-prevent-drink-and-drive-bike-will-not-run-when-intoxicated

‘ড্রিঙ্ক এন্ড ড্রাইভ’ রোধে অবিশ্বাস্য আবিষ্কার! নেশা করে উঠলেই চলবে না গাড়ি 

ব্যুরো নিউজ, ১ মার্চ: নেশা করে গাড়ি চালানো আর তার থেকেই দুর্ঘটনা। এমন ঘটনা আকছার ঘটেই চলেছে। ঘবরের কাগজ হোক বা সংবাদ মাধ্যম, প্রতিদিন  কম বেশি এই ঘটনা শিরোনামে উঠে আসছে। অবশ্য এর বিরুদ্ধে শক্ত হয়েছে প্রশাসন। ড্রিঙ্ক এন্ড ড্রাইভের ক্ষেত্রে আনা হয়েছে অনেক নিয়ম অপরাধিকে জরমানা এমনকি তার আইনি শাস্তি সবই যেনঅ গা-সওয়া হয়ে উঠেছে। কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না অপরাধ। কিন্তু এমন যদি হত, মদ্যপান করে গাড়িতে উঠলে গাড়ি চলতোই না, তবে বোধহয় এক্ষেত্রে অপরাধ কিছুটা হলেও দমানো যেত। কিন্তু আমার এই কথা শোনার পর অনেকেই তা হাস্যরস ভেবেই উড়িয়ে দেবেন। বলবেন এমন আবার  হয় নাকি কখনও! কিন্তু হ্যাঁ, এবার এমনই অভাবনীয় আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিল উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে অবস্থিত মতিলাল নেহরু ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির পড়ুয়ারা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে | প্রাণ গেল ১৪ জনের তৈরি করা হয়েছে একটি ই-বাইক। সেই বাইকেই যদি মদ্যপান করে ওঠেন তবে বেইক চালানোর আশা ভুলে যান। কারণ মদ্য পান করে বাইকে উঠলে বাইক চলা তো দূর স্টার্ট পর্যন্ত নেবেনা। কারণ এই ই- বাইকে অ্যালকোহল ডিটেকশন সিস্টেম রয়েছে। তাই মদ্যপ অবস্থায় বাইক চালানোর চেষ্টা করলে, অ্যালকোহল ডিটেকশন সিস্টেমের মাধ্যমেই তা গাড়ির স্টার্ট সিস্টেমকে বন্ধ করে দেবে। আর এই ফিচার আবিষ্কার করেই সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জিতে নিয়েছে পড়ুয়াদের ডিজাইন করা এই বাইক। বাইকটির সর্বোচ্চ গতি ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। মাত্র চার ঘণ্টা চার্জ দিলেই চলবে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। পাশাপাশি এই বাইকে রয়েছে অ্যান্টি থেপ্ট অ্যালার্ম। তাই বাইকটি কোনওভাবে চুরির চেষ্টা হলে পাবেন সাবধান বার্তা। আর এই বাইকের দাম ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মতো হতে পারে।

আরো পড়ুন »
what is raman

‘রামন এফেক্ট’ আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী | কি এই ‘রামন এফেক্ট’?

ব্যুরো নিউজ, ২১ ফেব্রুয়ারি: ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন এফেক্ট আবিষ্কারের সম্মানে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি দিনটি জাতিয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কিন্তু কি এই রামন এফেক্ট? ১৯৮৬ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অধীনে ভারত সরকার “রামন এফেক্ট” আবিষ্কারকে স্মরণ করার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে মনোনীত করেছিলেন। রামন এফেক্ট হল সেই আবিষ্কার যা আবিষ্কার করে ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী সিভি রামন ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান। এর মাধ্যমে রামন আবিষ্কার করেছিলেন, যখন আলোর একটি প্রবাহ একটি তরলের মধ্য দিয়ে যায়, তখন তরল দ্বারা বিক্ষিপ্ত আলোর একটি ভগ্নাংশ ভিন্ন রঙের হয়। এই আবিষ্কার অবিলম্বে বিজ্ঞানমহলের জন্য যুগান্তকারী। রমন প্রভাব বা রমন বিক্ষেপণ, হচ্ছে ফোটন কণা সমূহের অস্থিতিস্থাপক বিকিরণ। ১৯২৮ সালে চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন ও তার ছাত্ৰ কে এস কৃষ্ণন তরল পদার্থে “রমণ প্ৰভাব” বা “রামন এফেক্ট” আবিষ্কার করেন। চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামনের নামানুসারে এটির নামকরণ করা হয়। কী এই ‘রামন এফেক্ট’? খুব সহজ ভাবে বলতে গেলে ‘রামন প্রভাব’ হল যখন আলোর একটি প্রবাহ তরলের মধ্য দিয়ে যায়, তখন তরল দ্বারা বিক্ষিপ্ত আলোর একটি ভগ্নাংশ ভিন্ন রঙের হয়। এটি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের কারণে ঘটে, যখন একটি আলোক রশ্মি অণু দ্বারা বিচ্যুত হয়। সাধারণভাবে, আলো যখন কোনও তরল বা কাঁচের কোনও বস্তুর সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে, তা প্রতিফলিত হয় বা প্রতিসৃত হয় বা পাঠানো যায়। আলো বিক্ষিপ্ত হওয়ার সময় বিজ্ঞানীরা যে বিষয়গুলি দেখেন তা হল যে কণাটির সঙ্গে এটি যোগাযোগ করে তার শক্তি পরিবর্তন করতে সক্ষম কিনা। রামন প্রভাব হল, যখন আলোর শক্তির পরিবর্তন পর্যবেক্ষণাধীন অণু বা উপাদানের কম্পনের দ্বারা প্রভাবিত হয়, যার ফলে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ঘটে। “এ নিউ টাইপ অফ সেকেন্ডারি রেডিয়েশন” শিরোনামে নেচার পত্রিকায় তাদের প্রথম প্রতিবেদনে সিভি রামন এবং সহ-লেখক কে.এস কৃষ্ণণ লিখেছেন যে ৬০টি ভিন্ন তরল নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে, এবং সব একই ফলাফল দেখিয়েছে। সেই ফলাফলে বিক্ষিপ্ত আলোর একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ ভিন্ন রঙের ছিল। রামন বলেছিলেন, “একটি ঘটনা যার সর্বজনীন প্রকৃতিকে স্বীকৃতি দিতে হবে।” রামন স্পেকট্রোস্কোপ ব্যবহার করে এই পর্যবেক্ষণগুলি যাচাই করেন এবং ৩১ মার্চ, ১৯২৮-এ ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিক্স-এ ফলাফল প্রকাশ করেন। ১৯২১ সালে জাহাজে চেপে ইউরোপ যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরের জলে নীল আলোর বিচ্ছুরণ দেখে এই ভাবনা মাথায় আসে তাঁর। এরপর ল্যাবরেটরিতে বসে তিনি মার্কারি ল্যাম্প ও বরফের টুকরো দিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। এই পরীক্ষার ফল তিনি প্রকাশ করেছিলেন ১৯২৮-এ।

আরো পড়ুন »
what is Raman Effect?

কে ছিলেন সিভি রামন? কীভাবে এল ‘রামন এফেক্টে’র ভাবনা?

ব্যুরো নিউজ, ২১ ফেব্রুয়ারি: ১৮৮৮ সালে মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির ত্রিচিতে (বর্তমান তিরুচিরাপল্লী) তামিল ব্রাহ্মণ পরিবারে  জন্মগ্রহণ করেছিলেন চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন। মাত্র ১১ বছর বয়সে সেন্ট অ্যালোসিয়াসের অ্যাংলো ইন্ডিয়ান হাই স্কুলে মাধ্যমিক ও ১৩ বছর বয়সে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি মাদ্রাজের প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন। শুধু তাই নয়, ক্লাসে প্রথম স্থান অধিকার করেন রামন। এমএ ডিগ্রির জন্য অধ্যয়নরত অবস্থাতেই আলোর বিচ্ছুরণের উপর তিনি গবেষণা শুরু করে প্রথম গবেষণা পত্রটি ১৯০৬ সালে ফিলোসফিক্যাল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। পরের বছর তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।   বিজ্ঞান দিবসের মূল লক্ষ্যই জনকল্যান তবে অসুস্থতার কারণে তিনি পরবর্তী শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে পারেননি। ১৯০৭ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর তিনি মাত্র ১৯ বছর বয়সে কলকাতার ইন্ডিয়ান ফিনান্স সার্ভিসে সহকারী হিসাবরক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। সেখানে তিনি ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স (IACS), ভারতের প্রথম গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হন। IACS-এ কাজের শেষে গবেষণা শুরু করেন।  ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধীনে রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজে তিনি অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ১৯২১ সাল নাগাদ, সিভি রামন ভারত এবং পাশ্চাত্য উভয় ক্ষেত্রেই একজন শীর্ষস্থানীয় বৈজ্ঞানিক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছিলেন। সেই বছর,  প্রথম ইউরোপ ভ্রমণকালে ভূমধ্যসাগরের নীল রং দেখে তিনি অনুপ্রানিত হন। সমুদ্রের গভীর নীল রঙে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সাগরের জলের রং কেন নীল? সেই প্রশ্নই তার মনে ঘুরতে থাকে। তবে, সেই সময়কার প্রচলিত উত্তর ছিল ‘সমুদ্রের রঙ ছিল আকাশের রঙের প্রতিফলন’ কিন্তু এই উত্তরে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না। শীঘ্রই তিনি জানতে পারেন যে সমুদ্রের রঙ জলের অণু দ্বারা সূর্যালোকের বিচ্ছুরণের ফলাফল। আলো-বিচ্ছুরণের ঘটনা দ্বারা মুগ্ধ হয়ে, রামন এবং তাঁর কলকাতার সহযোগীরা বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে। এরপর ল্যাবরেটরিতে বসে তিনি মার্কারি ল্যাম্প ও বরফের টুকরো দিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। এই পরীক্ষার ফল তিনি ১৯২৮ নাগাদ ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিক্স-এ প্রকাশ করেন। আর তার নাম অনুসারে নাম হয় ‘রামন এফেক্ট’। ১৯২৬ সালে ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিক্স প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ১৯৩৩ সালে রামন প্রতিষ্ঠা করেন ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেস। ১৯৪৮ সালে রামন গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। সেখানেই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে গিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
The main target of Scientist Day is public welfare

বিজ্ঞান দিবসের মূল লক্ষ্যই জনকল্যান

ব্যুরো নিউজ, ২০ ফেব্রুয়ারি: ভুবন বিখ্যাত ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামান এফেক্ট আবিষ্কারের সম্মানে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে জাতিয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে পালন করা হয়। এই আবিষ্কারের জন্যই নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সিভি রামান। ১৯৮৬ সালে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যা যোগাযোগ আয়োগ ভারত সরকারের কাছে ওই দিনটিতে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আবেদন জানায়। ভারত সরকার তা অনুমোদন করে। ১৯৮৭ সালে প্রথম ওই দিন আয়োগের পক্ষ থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে জাতীয় বিজ্ঞান জনপ্রিয় করার জন্য পুরস্কার দিতে শুরু করে। চোপড়ায় বোস | মৃত শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ১৯০৯ সালে বিজ্ঞান দিবসের আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘বিজ্ঞানের দিগন্তের প্রসার’। সে বছরও বিক্রম সারাভাই বিজ্ঞান কেন্দ্রকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করা হয়। ২০১০ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘লিঙ্গ সমতা বহনক্ষম বিকাশের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’।  ২০১১ সালের আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘দৈনন্দিন জীবনত রসায়ন বিদ্যা’। ২০১২ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘ সুরক্ষিত শক্তি উৎস ও নিউক্লীয় সুরক্ষা’। ২০১৩ সালে জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘জিনের পরিবর্তন ঘটিয়ে খাদ্য শস্য সুরক্ষা’। ২০১৪ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল,  ‘বৈজ্ঞানিক মানসিকতার উৎকর্ষ সাধন’ ও ‘শক্তি সংরক্ষণ’। ২০১৫ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘জাতি গথনে বিজ্ঞান’। ২০১৬ সালের আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘জাতির উন্নয়নে বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি’। ২০১৭ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’। ২০১৮ সালে আলোচ্য বিষয়, ‘স্থায়ী ভবিষ্যতের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’। ২০১৯ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘জনগনের জন্য বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানের জন্য জনগন’। ২০২০ সালে আলোচ্য বিষয় ছিল, ‘বিজ্ঞানে মহিলা’। ২০২১ সালে আলোচ্য বিষয়, ‘ভারতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ: শিক্ষায় দক্ষতা ও কাজের ওপর প্রভাব’। ১০ নভেম্বর প্রতি বছর উদযাপন করা হয় বিশ্ব বিজ্ঞান দিবস। এখানে জোর দেওয়া হয় মানুষের রোজকার জীবনে বিজ্ঞানের প্রাসঙ্গিকতাকে তুলে ধরা। ২০২৩ সালে শান্তি ও উন্নয়নের জন্য বিশ্ব বিজ্ঞান দিবসের থিম ছিল, ‘বিল্ডিং ট্রাস্ট এন্ড সায়েন্স’ অর্থাৎ বিজ্ঞানের ওপর বিশ্বাস স্থাপন। এখানে বিজ্ঞানের ওপর আস্থা বাড়ানোই লক্ষ্য। বিজ্ঞানভিত্তিক নীতিগুলিকে শক্তিশালী করা ও সমাজের সমর্থন অর্জন করা ছিল লক্ষ্য। ২০২৩ সালে ওই সম্মেলনে মানুষের সম্মিলিত ভবিষ্যৎ তৈরিতে বিজ্ঞানের ভূমিকা সম্পর্কে বৃহত্তর বোধগম্যতা বারিয়ে তোলে। ইউনেস্কো এই দিনটিতে সবাইকে আরও উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেয়। ২০০১ সালে ইউনেস্কো বিজ্ঞানের জন্য অসংখ্য কর্মসূচি ও অধ্যায়নের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। জাতীয় বিজ্ঞান দিবসে স্কুল- কলেজে বিভিন্ন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। কিন্তু এ প্রসঙ্গে এখন স্বীকার করতেই হবে যে, স্কুল কলেজ গুলি ক্রমশই বিজ্ঞান বিমুখ হয়ে পরবে। প্রতি বছর যে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হতো তা এখন আর বিশেষ দেখা যায় না। তবে মূল লক্ষ্য হল, মানব কল্যানে বিজ্ঞানের সমস্ত কাজ ও কৃতিত্ব তুলে ধরা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে।

আরো পড়ুন »
সম্ভব

এও কি সম্ভব? রকেট উড়বে গোবরের জ্বালানি দিয়ে! 

ব্যুরো নিউজ, ২০ ডিসেম্বর: এও কি সম্ভব? রকেট উড়বে গোবরের জ্বালানি দিয়ে!  গোবর থেকে তৈরি জ্বালানির সাহায্যে উড়বে রকেট ! হয়ে গেল ফায়ার টেস্টও। চারিদিকে যখন পরিবেশবান্ধব ভাবনা-চিন্তাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, তখন গোবরের জ্বালানি দিয়ে রকেটের ইঞ্জিন বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল জাপান। বালুকে নিয়ে বিস্ফোরক কাউন্সিলরের স্বামী! স্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা! গোবর থেকে তৈরি বিশেষ জ্বালানি দিয়ে উড়বে আস্ত একটা রকেট। গোবরের জ্বালানি দিয়েই এবার রকেটের ইঞ্জিন তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন জাপানি ইঞ্জিনিয়াররা। ইতিমধ্যেই এই ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষাও হয়ে গিয়েছে। এবার তরল নাইট্রোজেন বা অন্য কোনও জ্বালানি নয়, রকেট চলবে গোবর গ্যাস থেকে তৈরি জ্বালানিতেই। 🚀News: Our small satellite launch vehicle, ZERO, just aced a milestone with a Liquid Biomethane-powered static fire test!This achievement mirrors ESA's success with an LBM-fueled rocket engine, marking a private rocket company world-first!🔥Read more :https://t.co/5B3Yt3C4eQ pic.twitter.com/x5yDujx9DQ— Interstellar Technologies (@istellartech_en) December 7, 2023 জাপানের ইন্টারস্টেলার টেকনোলজিসের তাদের এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছে, যেখানে গোবর গ্যাসের জ্বালানিতে কীভাবে রকেট চলতে পারে তার একটি সফল পরীক্ষা তুলে ধরেছে। মাত্র ১০ সেকেন্ডের সেই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে একটি বিশালাকায় রকেটের ফুয়েল ট্যাঙ্ক থেকে নীলাভ আগুন বেরিয়ে আসছে। তাদের সেই মহাকাশযান রকেটটির ইঞ্জিনের নাম ‘জিরো’ যার ‘স্ট্যাটিক ফায়ার টেস্ট’ করা হয়েছে। মূলত গোবর থেকে প্রাপ্ত তরল বায়ো মিথেনের সাহায্যেই এই রকেটের জ্বালানির জোগান দেওয়া হয়েছে। এই অত্যাধুনিক পদক্ষেপ রকেট উৎক্ষেপণের জগতে নজির গড়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ভাবনাচিন্তাকেও আরও এক পা এগিয়ে নিয়ে গেছে। এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্যাটেলাইট সফলভাবে স্থাপন করা ইন্টারস্টেলার টেকনোলজিসের আগামী দিনের লক্ষ্য। ইন্টারস্টেলার টেকনোলজিস জানিয়েছে, যে তারা গোবরের সাহায্যে এই রকেটের জ্বালানি তৈরিকে প্রাধান্য দিয়ে ইঞ্জিনের আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে এবং মহাকাশ অভিযানের জন্য টেকসই পরিবেশবান্ধব রকেট নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাবে। সংবাদ মাধ্যমের সাহায্য নিয়ে লেখা। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
চন্দ্রাভিযানে

চন্দ্রাভিযানে নয়া নজির ইসরোর | চন্দ্রযানের একাংশ ফিরল পৃথিবীতে

ব্যুরো নিউজ, ৭ ডিসেম্বর: চন্দ্রাভিযানে নয়া নজির ইসরোর | চন্দ্রযানের একাংশ ফিরল পৃথিবীতে শুধু চাঁদে মহাকাশযান পাঠানোই নয়, এবার সেই মহাকাশযান পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে নজির গড়ল ভারত। সোমবার চন্দ্রাভিযানে নতুন সাফল্য পেল ইসরো। চাঁদের কক্ষপথে পাঠানো চন্দ্রযান-৩-এর প্রোপালশন মডিউলকে পৃথিবীর কক্ষপথে ফিরিয়ে আনল ইসরো। প্রাক্তন মন্ত্রী নারায়ণ বিশ্বাসের দেহ দান এই প্রোপালশন মডিউলে চেপেই চাঁদে পৌঁছেছিল বিক্রম ল্যান্ডার। বিক্রমের অবতরণের পর, এতদিন চাঁদের কক্ষপথেই ঘুরছিল প্রোপালশন মডিউল। লক্ষ্যে সফল হওয়ার পর, এবার চন্দ্রযান-৩-এর এই অংশটিকে পৃথিবীর কাছাকাছি ফিরিয়ে আনতে সফল হলেন বিজ্ঞানীরা। ইসরোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নভেম্বর মাসে প্রোপালশন মডিউলকে পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। চাঁদের কক্ষপথে চারটি পাক ঘুরে, ১০ নভেম্বর পৃথিবীর কক্ষপথের উদ্দেশে রওনা দেয় প্রোপালশন মডিউল। ২২ নভেম্বর পৃথিবীর কক্ষপথের কাছে এসে পৌঁছায় সেটি। ইসরোর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহগুলির সঙ্গে প্রোপালশন মডিউলের ধাক্কা লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
সম্মান

প্রাপ্য সম্মান পাননি জগদীশ চন্দ্র

ব্যুরো নিউজ, ১ ডিসেম্বর: প্রাপ্য সম্মান পাননি জগদীশ চন্দ্র বিজ্ঞান আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু গাছের প্রাণ আবিস্কার করেননি। বরং তিনি গাছের সুক্ষ বৃদ্ধি মাপার যন্ত্র কেসকোগ্রাফ  আবিস্কার করেছিলেন। এমনই দাবি করলেন জনৈক অভিজিৎ মিত্র। তার মতে গাছের সুক্ষ কম্পন ও যন্ত্রনাগুলো ধরা পড়তো কেসকোগ্রাফে। আর এই দিকটাই নাকি বিশ্ববাসীর কাছে অজানা রয়ে গেছে। তাই যে প্রাপ্য সম্মান, খ্যাতি ও প্রচার পাওয়ার কথা ছিল তা জগদীশ চন্দ্র পাননি। পশ্চিমী দুনিয়া তাঁকে জীবদ্দশায় সম্মান দেয়নি। এমনকি ভারতবাসীও তাঁকে সেই সম্মান থেকে বঞ্চিত করেছিল। অযথা সময় নষ্ট নয়, বললেন বিচারপতি সিনহা পদার্থবিদ ও উদ্ভিদ গবেষক জগদীশ চন্দ্র প্রথম দেখিয়ে ছিলেন ইন্টার ডিসিপ্লিনারি বলতে কি বোঝায়। আবার তিনিই প্রথম ডায়োড তৈরি করেছিলেন। আবিষ্কার করে ছিলেন ওয়ার লেস কমিউনিকেশন। তাঁরই এই যোগাযোগ ব্যবস্থায় মিলি মিটার ওয়েভ কমিউনিকেশনের জনক ছিলেন তিনি। এখান থেকে অগ্রগতি ঘটেছিল রেডিও, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন ও স্যাটেলাইত-এর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে পাশ করে লন্ডনে গিয়েছিলেন। সেখানে কাজ করতেন প্রফেসার র‍্যালের অধিনে। র‍্যালের সুপারিশেই তিনি কলকাতায় এসে সরাসরি প্রেসিডেন্সি কলেজের ভৌত বিজ্ঞানের প্রফেসার হন। কিন্তু কলেজে ব্রিটিশ অধ্যাপকদের দাপটে তাঁকে ব্রাত্য রাখা হয়েছিল তাঁকে। কলেজের একটি ছোট্ট ঘরে তিনি নিজেই গবেষণাগার তৈরি করেন।নিজের বেতনেই কেনেন বহু যন্ত্রপাতি। ১৮৯৫ সালে তিনি বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ৭৫ ফুট দুরে তার ছাড়াই কীভাবে বেল বাজানো যায়, সশব্দে গান পাউডার ফাটানো যায় তা দেখালেন। এ ধরনের যন্ত্রের পেটেন্ট চলে গিয়েছিল পরে একই আবিষ্কার দেখানো মার্কনির হাতেই। নিজে পেটেন্ট নিতে উৎসাহী ছিলেন না জগদীশ। ১৯০৯ সালে তিনি নোবেল পান। এর পাশাপাশি ১৮৯৪-১৯০০ সালের মধ্যে উনি তৈরি করেছিলেন এক মাইক্রোওয়েভ সনাক্তকারী সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্র। যা দিয়ে মাইক্রোওয়েভের ১২ থেকে ৬০ গিগাহার্জ (১ গিগাহার্জ = প্রতি সেকেন্ডে ১০০ কোটি কম্পন) অব্ধি সনাক্ত করা যেত। সেই যন্ত্রে ওনার আবিষ্কৃত ক্রিস্টাল সনাক্তকারী ছিল হাতে-কলমে তৈরি প্রথম সেমিকন্ডাক্টর ডায়োড। ১৮৯৭ সালে লন্ডনে এক প্রদর্শনীতে উনি এই আবিষ্কার দেখান। সেই ডায়োডের ওপর ভর করে তিনজন আমেরিকান বিজ্ঞানী বার্ডিন, ব্র্যাটেন এবং শক্‌লে পরবর্তীকালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করে ১৯৫৬ সালে নোবেল পেয়ে গেলেন। জগদীশ চন্দ্র বেতার ও যোগাযোগ নিয়ে যে যে গবেষনা করলেন, যা যা দেখালেন, সেইসবের কৃতিত্ব নিয়ে চলে গেল অন্যরা। তিনি ১৯০৪ সালে প্রথম এশিয়ান বিজ্ঞানী হিসাবে আমেরিকার থেকে এক পেটেন্ট আদায় করেছিলেন। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
চিনকে

চিনকে পিছু হটাতে মরিয়া আমেরিকা! মহাশূন্যে স্পেস স্টেশন বানাতে ভারতকে সাহায্য

ব্যুরো নিউজ, ৩০ নভেম্বর: চিনকে পিছু হটাতে মরিয়া আমেরিকা! মহাশূন্যে স্পেস স্টেশন বানাতে ভারতকে সাহায্য ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন হবে। এবার থেকে মহাকাশে ভারতীয় মহাকাশচারীরা নিজেদের স্পেস স্টেশনেই থাকবে। আর এই মহা যজ্ঞে ভারতকে সবরকম সাহায্য করতে সামিল আমেরিকা। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স এবং স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA)। সরল হচ্ছে নিয়োগ পরীক্ষা সম্প্রতি ভারত সফরে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স এবং স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন। আর এই সফরেই তিনি জানান, যে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ভারতীয় মহাকাশচারীদের পাঠানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে নাসা। এমনকি ভারতকে নিজস্ব আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন করার ক্ষেত্রেও সাহায্য করবেন। নেলসন স্পষ্ট জানিয়েছেন যে,  ভারতের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরিতে ভারতকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আমেরিকা। সেক্ষেত্রে  আমেরিকা ও ভারত আগামী বছরের শেষে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে একজন ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানো হবে। আর নাসার বদলে ISRO সেই মহাকাশচারী নির্বাচন করবে। ইতিমধ্যেই অনেক আমেরিকান কোম্পানি ISRO-র সঙ্গে সহযোগিতা করতে চাইছে। আমেরিকার বোয়িং, ব্লু অরিজিন, এলএলসি, ভয়েজার স্পেস হোল্ডিংস-এর আধিকারিকরাও ISRO-এর সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য এগিয়ে আসতে চাইছে। স্পেস স্টেশন তৈরিতে কেন ভারতের সঙ্গে হাত মেলাতে চাইছে আমেরিকা? বর্তমানে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলির নজর মহাকাশের দিকে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মঞ্চে আমেরিকার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে দণ্ডায়মান চিন। তাই আমেরিকা মনে করছে, বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি একজোট হয়ে চিনের বিরুদ্ধে লড়াই করার। এতে কিছুটা হলেও পিছে ফেলতে পারা যাবে চিনকে। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
সমুদ্রের

মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের খোঁজ! বাঙালি বিজ্ঞানীর গবেষণায় চাঞ্চল্য

ব্যুরো নিউজ, ১৪ নভেম্বর: মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের খোঁজ! বাঙালি বিজ্ঞানীর গবেষণায় চাঞ্চল্য বাঙালি বিজ্ঞানী অধ্যাপক রজত মজুমদার গবেষণা করেছেন দেখেছেন যে, মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের অস্তিত্বকে একেবারেই অস্বীকার করা যায় না। নাসার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় মঙ্গল গ্রহে পাথরের ছবি তোলা থেকে বিভিন্ন পর্যায়কে বিশ্লেষণ করেই গবেষণা পত্রে এই তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী। জোরালো ভূমিকম্প কলম্বোতে |কেঁপে উঠল লাদাখ সম্প্রতি নেদারল্যান্ডের “marine and petroleum Geology” গবেষণা পত্রে এই গবেষণা স্বীকৃতি পেয়েছে। গবেষণায় বাঙালি বিজ্ঞানী প্রকাশ করেছেন, মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের অস্তিত্বের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। করোনা পরিস্থিতির সময় থেকে শুরু হয় এই গবেষণা। মূলত  নাসা এর আগে মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের অস্তিত্বের কথা স্বীকার করলেও পরে নাসা সেই তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে। জার্মান ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি অফ ওমান-এর ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক রজত মজুমদার গবেষণায়  দেখিয়েছেন যে মঙ্গল গ্রহের থেকে ছবি তোলা পাথরের যে বিন্যাস ওই সমসাময়িক পাথর পৃথিবীতেও রয়েছে যার বিন্যাস কার্যত একই। মূলত এই পাথরগুলি পৃথিবীর উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকেই সংগ্রহ করা। নাসার তোলা মঙ্গল গ্রহ থেকে  ৩৬০০-৩৮০০ মিলিয়ন বছর পুরনো পাথরের বিভিন্ন ছবির বিভিন্ন স্তর পর্যালোচনা করে এই অস্থিত্বের সন্ধান পাওয়া সম্ভব বলেই হয়েছে, এমনটাই গবেষণা পত্রে উল্লেখ। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অধ্যাপক রজত মজুমদার বলেন “এই গবেষণার তখনই সফলতা সম্ভব যখন মঙ্গল গ্রহ থেকে এই পাথরগুলি নিয়ে এসে বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে। সংবাদ মাধ্যমের সাহায্য নিয়ে লেখা। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »
ভূগর্ভে

ভূগর্ভে কতগুলি টেকটোনিক পাত রয়েছে?

ব্যুরো নিউজ, ১৬ অক্টোবর: ভূগর্ভে কতগুলি টেকটোনিক পাত রয়েছে? ভূপৃষ্ঠের নীচে রয়েছে পাত বা প্লেট, আর তার মধ্যে একাধিক পাত রয়েছে সচল অবস্থায়। মাটির নীচে এদিক থেকে ওদিক ঘোরাঘুরি করে সেই পাত গুলি। পাতগুলি চলাচলের সময় অনেক ক্ষেত্রে একটি পাত অপরটির উপর উঠে আসে বা মুখোমুখি ধাক্কা খায়। এর ফলে যে কম্পন অনুভব হয় তাই আমরা ভূমিকম্প নামে জানি।  জনপ্রতিনিধিদের এত টাকার প্রয়োজন কীসের?  এই পাতগুলির চলন তিন প্রকার। অপসারী, অভিসারী ও নিরপেক্ষ চলন। অপসারী হল দু’টি পাতের পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাওয়া, অভিসারী হল পরস্পরের দিকে এগিয়ে যাওয়া, যা থেকে হয় সংঘর্ষ। ও নিরপেক্ষ চলন অর্থাৎ পরস্পরকে পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়া। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, প্রাথমিক ভাবে ১২-১৪ পাত রয়েছে। এই এক একটি পাত প্রায় ২ কোটি বর্গ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে অবস্থান করে। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোসীয়, ইন্দো-স্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, আন্টার্কটিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও কয়েকটি ছোট পাতও রয়েছে, ফিলিপিন্স সাগর, কোকোজ, নাজকা, আরবীয় ও হুয়ান ডি ফুশা। আন্তোলিয়ান ও পূর্ব আফ্রিকা পাত আবার গতির নিরিখে একেবারে আলাদা। এরই পাশাপাশি অসংখ্যা ক্ষুদ্র পাতও রয়েছে। বৃহদাকার পাতগুলির সীমানায় এমন অসংখ্য ক্ষুদ্র পাত রয়েছে, যাদের সামগ্রিক আয়তন প্রায় ১০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর বুকে এমন ৫৭টি পাত রয়েছে বলে মত বিজ্ঞানীদের। এই পাতগুলির মধ্যে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের গতিই সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের। বিজ্ঞানীদের মতে, এই পাতগুলি প্রতি বছর উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে ৭ থেকে ১৯ সেন্টিমিটার করে এগোয়। ইভিএম নিউজ

আরো পড়ুন »

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

বিশ্ব জুড়ে

গুরুত্বপূর্ণ খবর

ঠিকানা