ব্যুরো নিউজ ১৫ নভেম্বর : মোহনবাগান ক্লাব চত্বরে অস্থায়ী কিয়স্ক এবং ফ্লেক্স ভাঙা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। শুক্রবার সকালে সেনাবাহিনীর কিছু কর্মী ক্লাব চত্বরে উপস্থিত হয়ে কয়েক দিন আগে তৈরি হওয়া ওই কিয়স্কটি ভেঙে দেন। ক্লাবের লোগো লাগানো এবং সমর্থকদের জন্য কিছু মার্চেন্ডাইজ বিক্রির জন্য এই অস্থায়ী কিয়স্কটি তৈরি করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি ক্লাবের আশপাশে টাঙানো বেশ কিছু ফ্লেক্স এবং ব্যানারও সরিয়ে নেওয়া হয়।
আমরা ভরসা করলেও বিদেশে নিষিদ্ধ ভারতীয় মশলা
ভাঙচুর চালানোর আগে সমর্থকদের আবেগকে সম্মান করা উচিত ছিল
ময়দান এলাকা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন হওয়ায় ক্লাবগুলির কোনও স্থায়ী বা অস্থায়ী নির্মাণ করার আগে সেনার অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিবছর ১ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ময়দানের বিভিন্ন ক্লাবের নির্মাণগুলো সেনা পর্যালোচনা করে। যদি কোনও অনুমতিবিহীন নির্মাণ পাওয়া যায় তবে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়।মোহনবাগান সমর্থকরা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের মতে ক্লাব চত্বরে ভাঙচুর চালানোর আগে সমর্থকদের আবেগকে সম্মান করা উচিত ছিল সেনাবাহিনীর। অনেক ফ্যান ক্লাব থেকে সেনার এই হঠাৎ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে এখনও মোহনবাগান কর্তাদের কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। সূত্রের খবর অনুযায়ী ক্লাবের কর্তৃপক্ষ সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। উভয় পক্ষই পরিস্থিতির ভুল বোঝাবুঝি দূর করার চেষ্টা করছেন।
হুগলীতে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা !কসমেটিকস কিনতে গিয়ে উধাও এক নাবালিকা !কি হয়েছে দেখুন ?
সেনাবাহিনীর অনুমতিহীন নির্মাণ ভাঙার নিয়ম থাকলেও সমর্থকরা এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ক্লাব এবং সেনার মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে যেন সমস্যার সমাধান হয়। সেই আশা করছেন সমর্থকরা।