ব্যুরো নিউজ, ১৩ জানুয়ারি: কমলো শিল্প বৃদ্ধি, বাড়ল খাদ্যপন্যর দাম

দেশে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে কমলো শিল্পের বৃদ্ধি। তার পাশাপাশি দাম বাড়ল খাদ্যপণ্যর। ফলে দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও বাড়ল উদ্বেগ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, ওই খাদ্যপণ্য বৃদ্ধির বিষয়টি। গতমাসে খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে ৫.৬৯ শতাংশ। অপরদিকে গত নভেম্বরে শিল্প বৃদ্ধি কমেছে ২.৪ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনার: নজর শীর্ষ আদালতের

মোদী সরকার অর্থনীতির ভিত শক্ত বলে যুক্তি দিয়ে আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাষ বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করেছে। কেন্দ্রের হিসেব অনুযায়ী সেই ছবি একেবারে বদলেছে। আর তার মূল কারণ হলো দেশের কলকারখানায় শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়া।

একটি পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, কারখানার উৎপাদন বেড়েছিল মাত্র ১.২ শতাংশ। কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও খনিজ উৎপাদন। স্বল্প মেয়াদী ব্যবহারযোগ্য ভোগ্যপণ্য ও মূলধ্বনি পন্যের উৎপাদন কমেছে। অপরদিকে খাদ্যপন্যের দাম বৃদ্ধি হয়েছে ৯.৫৩ শতাংশ। আনাজের দাম বেড়েছে ২৭.৬৪ শতাংশ। ডালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ২০.৭৩ শতাংশ। আর মশলার দাম বেড়েছে ১৯.৬৯ শতাংশ। শহরাঞ্চলে খুচরো মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে ৫.৪৬ শতাংশ ও গ্রামে তা বেড়েছে ৫.৯৩ শতাংশ। একইভাবে বর্ষা কম হওয়ায় ফলন কম হয়েছে খাদ্যপন্যের। তাই দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা আগেই ছিল। জোগান কম হওয়ায় চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে দাম। তবে ওইসব পণ্য আমদানি করে দাম নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারত সরকার। পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে লাগামছাড়া।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ একইসঙ্গে অভিযোগ জানিয়েছেন, বেকারত্ব বর্তমানে প্রায় ৩০ শতাংশ। মোদী ফানুস ক্রমশই চুপসে যাচ্ছে। এবার পরিবর্তন ঘটানোর সময় এসেছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ইভিএম নিউজ



















